Skip to main content

Post No - 001

 


জন্ম থেকে যখন ধীরে ধীরে বেড়ে উঠি তখন কি গভীরতা  সঙ্গে নিয়ে বেড়ে উঠি? নিশ্চয়ই না। পারিপার্শ্বিকতার সঙ্গে  ইন্দ্রিয়গুলো যখনই লিপ্ত হতে শুরু করে তখনই মানুষ জটিলতার আবর্তে পড়ে গভীরভাবে ভাবতে শুরু করে।

কেউ যখন জীবনের সবকিছুর প্রয়োজন কে শূন্যে নামিয়ে আনে চিন্তার কি থাকে বলে মনে হয়? যে মানুষ টা উন্মুক্ত প্রান্তরে দাঁড়িয়ে  "আমার মুক্তি আলোয় আলোয় এই আকাশে'' - উদাত্ত কন্ঠে গেয়ে উঠে হঠাৎ- কেবলমাত্র সেই ক্ষণটুকুতে কি থাকে তার মনে? তার অন্তর জুড়ে থাকে মহা-শূন্যতা। এই  শূন্যতা (ফাঁকা) নয় কিন্তু, সে ঐ ক্ষণটুকুতে নিজেকে নিয়ে পূর্ণ। এই জায়গাটাই বোঝার। এই অবস্থানে খুব সরল ও সহজভাবেই একটা ভাবনা ভেবে চলতে হয়,, অন্য যা কিছুকে নিজের মধ্যে গ্রহণ করছি তা কেবলমাত্র জীবনটুকু ধারনের জন্য,, যতোটুকু ততোটুকুতেই আবদ্ধ থাকা উচিত অন্যথায়   সকল বিষয়ই নিঃপ্রয়োজন। আমাদের বেদ - বেদান্ত - ঁগীতা-উপনিষদে বহুবার বহু প্রেক্ষিতে বারংবার সে কথার প্রয়োজনীয়তা বুঝিয়েছেন মুনি-ঋষিরা।যোগীরা এপথেই চলেন,, ঁগীতায় ঁভগবান বলেছেন সেকথা। আমারা সাধারণ। সাধারণের "আধার" অনুযায়ী তাঁদের মতের অনুসরণ করি মাত্র।মানুষকে মানুষ হওয়ার জন্য আজীবন সু-অনুশীলনের মধ্য দিয়েই চলতে হয় "প্রয়োজন - হীনতার" অনুশীলন একটা গুরুত্বপূর্ণ অনুশীলন,, তা নিরন্তর অভ্যাসে কোনও চাহিদা বা পিছনের টান থাকে না। বলা সহজ কিন্তু অভ্যাস করে তাতেই অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া ঠিক ততোখানিই কঠিন বা প্রায়ই অসম্ভব। তবুও  ভাবগ্রাহী জনার্দন তিনি মানুষের চেষ্টাটুকু দেখেন।

Comments

Popular posts from this blog

  আজ পবিত্র ঁশ্রীগুরুপূর্ণিমা। ঁশ্রীগুরুশিরোমণি পূজ্যপাদ শ্রীকৃষ্ণ দ্বৈপায়ন বেদব্যাস মহামুনির শ্রীচরণকমলে আমার আভূমি প্রণাম। ঁযিনি সনাতন দর্শনের স্তম্ভ- ঁবেদের জ্ঞানের গহন গভীরতাকে নতুন রূপে বিন্যাস করলেন আপামরের জন্য। ঁতাঁর কৃত পুরাণ, মহাভারত প্রভৃতি শাস্ত্রগ্রন্থের মাধ্যমে আমরা জানলাম আমার  গৌরবোজ্জ্বল উত্তরাধিকার যা তাঁর সৃষ্ট ঐতিহাসিক ঐতিহ্য - সংস্কৃতি - সভ্যতা ও জ্ঞান সমন্বিত অমরগাঁথার মধ্যে ছড়িয়ে আছে। অন্ধকার থেকে আলো পথে চলার যষ্ঠীটা চিরকালীনভাবে প্রজন্মের পর প্রজন্মের হাতে দিয়ে গেলেন সেই পরম ঁশ্রীগুরুদেব । আমরা অকিঙ্চন - তাঁর চরণে  দেবার মতো কি আছে আমাদের!!?? শুধুমাত্র শাস্ত্রগ্রন্থে  "শ্রদ্ধা"- "বিশ্বাস" ও তার অন্বেষণের জন্য,, সৎ ভাবে  সত্যের সাথে যতোটুকু পারি  "আত্মনিবেদন"- এই তিনের আত্যন্তিক চেষ্টার মাধ্যমে,, আমরা আজ ঁতাঁকে প্রকৃত ঁগুরুপ্রণাম করি । ঁতাঁরই দেখানো পথে সেই সুদূর অতীত থেকে আজ পর্যন্ত যে গুরু - আচার্য্যেরা আমাদের সকল ভুল দোষত্রুটি সংশোধন করে,, আমাদের এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন আলোর দিকে,, তাঁদেরকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম। ভালোমন্দ মিশানো য...